রাত ৮:১৬
২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রথমদিন সুযোগ পাবেন দুইশ’ জন

সারাদেশের মতো যশোরেও আগামী ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনার টিকাদান শুরু হচ্ছে। এদিন যশোর পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডেও আলাদা কেন্দ্র থেকে টিকা দেয়া হবে। ইতিমধ্যে করোনার টিকা গ্রহণকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় অনেক সময় বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন তারা।
যশোর স্বাস্থ্যবিভাগের দেয়া তথ্যানুসারে ৭ আগস্ট জেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে যে টিকা প্রদান করা হবে প্রথম পর্যায়ে সেই টিকা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন শুধুমাত্র সেই ইউনিয়ন পরিষদ যে ওয়ার্ডে অবস্থিত সে ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। পরে পর্যায়ক্রমে অন্য ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এ টিকা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রথম পর্যায়ে শুধুমাত্র সিনোফার্মার টিকা দেয়া হবে।
সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে জানান, জেলার আট উপজেলায় মোট ৯১ টি ইউনিয়নের একশ’টি কেন্দ্রে গণটিকাদানের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মোট দুইশ’৮২টি বুথে টিকা প্রদান করা হবে। তিনি আরও জানান, মহিলা, বয়োজ্যেষ্ঠ এবং প্রতিবন্ধীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। টিকা প্রদানের কাজ করবে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারের নিয়োগকৃত স্বাস্থ্যসেবীরা। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবীরা এ কার্যক্রম নির্বিঘœ করতে সহায়তা করবেন।
এ বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামান জানিয়েছেন,বুধবার বিকেলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভায় ইউনিয়ন পর্যায়ের টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এতে পৌরসভা এবং ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ডে (পুরাতন একটি ওয়ার্ড) দুইশ’ জনকে টিকা প্রদান করা হবে। সর্বশেষ, সিদ্ধান্ত অনুসারে টিকা কেন্দ্রে ভিড় এড়ানোর লক্ষ্যে কমিটি কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত দুইশ’ জনকে টিকা দেয়া হবে। বাকিদের টিকার জন্যে নির্ধারিত দিনে পর্যায়ক্রমে টিকার আওতায় আনা হবে। দুইশ’ জনকে টিকা দেয়ার আগে পৌরমেয়র ও কাউন্সিলর, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বার জানিয়ে দেবেন এবং টিকা কেন্দ্রে দুইশ’ জনের বেশি যাতে জমায়েত না হন তা নিশ্চিত করবেন। এদের মধ্যে কারো রেজিস্ট্রেশন না হলে তা টিকা দেয়ার আগেই রেজিস্ট্রেশন করে দেবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ওয়ার্ড ভিত্তিক টিকা দেয়ার পাশাপাশি যশোরের ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেজিস্ট্রশনের ভিত্তিতে টিকা দেয়ার কার্যক্রম চলমান থাকবে। রেজিস্ট্রেশন করার পর ওয়ার্ডের তালিকায় না থাকলে নিয়মিত টিকাদানের এসব কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন সকলে।
বরাবরই জনস্বার্থে দেশের বৃহৎ কর্মযজ্ঞ কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির জন্যে যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়। স্বজনপ্রীতি, দলীয় পরিচয়, পেশীশক্তি কিংবা মামা-খালুর জোরে টিকাগ্রহণে যেন আম জনতা বঞ্চিত না হয় তার প্রতি দৃষ্টি দেয়ার দাবি সাধারণ মানুষের। সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে টিকাদান কার্যক্রম সম্পাদন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়োপযোগী সুচিন্তিত পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন বলে আশা তাদের

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

500FansLike
700FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles